বাবুগঞ্জে ইরিগেশনের নামে খালে বাঁধ দিয়ে সরকারি অফিসের যোগসাজশে হাতিয়ে নিচ্ছেন টাকা

আপলোড সময় : ১৬-০৩-২০২৬ ০২:২৭:২১ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৩-২০২৬ ০২:২৭:২১ অপরাহ্ন
বাবুগঞ্জে ইরিগেশনের নামে খালের বিভিন্ন যায়গায় বাঁধদিয়ে সরকারি অফিসের যোগসাজশে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ায় অভিযোগ উঠে আসছে।ঘটনাটি ঘটেছে বাবুগঞ্জর বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে। স্হানীয় একাধিক সুত্রে জানাগেছে, ফ্যসিষ্ট সরকারের সময় ওই গ্রামের কতিপয় অসাধু লোকজন বাবুগঞ্জের সরকারি বিএডিসি ও কৃষি অধিদপ্তরের কর্মচারিদের যোগসাজশেদদ দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে ইরি মৌসুম আসলেই ধান উৎপাদনে সেচ-প্রকল্পের নামে বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের চরফতেপুর, চরহোগল পাতিয়া আকনবাড়ির সম্মুখ ভুঁইমালীর পোল, চরহোগল পাতিয়া বিশাই বাড়ির সম্মুখ শিলনদিয়া এলাকার খাল সহ ওই গ্রামের একাধিক খালের মাঝে বস্তাভরা বালু দিয়ে বাঁধ নির্মান করে ইরি ধান উৎপাদনের নামে পানির প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকরে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা। স্হানীয় অনেকের মধ্যে শামিম বেপারি জানান, ইরি ধানের মৌসুম আসলেই দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে ইরি ধান উৎপাদনের নামে খালের মধ্যে বালু ভরাট বস্তা দিয়ে খালের পানি আটকে রেখে ইরি উৎপাদন না করে সরকারি অফিসের যোগসাজশে সেচ প্রকল্পের নামে পানি সেচের ভর্তুকির বরাদ্দ কৃত টাকাসহ সার, বিচ কিট নাাশক ভাগাভাগি করে নিচ্ছে স্হানীয় চর হোগলপাতিয়া গ্রামের মৃত সেকান্দর আলীর পুত্র আদমআলি প্যাদা, একই গ্রামের মৃত কাজেম আলী প্যাদার পুত্র কালু প্যাদা, চরফতেপুর গ্রামের হাবিব মুন্সি এদের সাথে জড়িত অসাধু আরো একাধিক লোকজন। এ বিষয় কৃষি কর্মকর্তা বাবুগঞ্জ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) সাথে কথা হলে বিষয়টি তারা অবগত নন, বিষয়টি জেনে সত্যতা জাচাই করে ব্যাবস্তা নিবেন বলে জানিয়েছেন তারা। ভিন্ন দিকে জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল আহসান হিমু বলেন, বাঁধ সম্মর্কে তিনি অবগত নন কি কারনে খালের মাঝে বাঁদ দিয়ে খালের জৌলুশ ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে বিষটি খতিয়ে দেখবেন তিনি। ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কাইউম বলেন, ইরি উৎপাদনের নামে খালের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে টাকা ভাগাভাগি করে থাকলে এর বিহিত হওটা একান্ত জরুরী। অপরদিকে স্হানীয় একাধিক কৃষক জানিয়েছেন বাঁধ দেয়ার ফলে খালে জোয়ার ভাটার পানি আসা যাওয়া করতে না পারায় খাল শুকিয়ে যাওয়ার কারনে পাট উৎপাদন সহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন করতে ব্যাপক ক্ষতিতে পরছেন তারা। এ ছারাও ওই এলাকার মানুুষ খালের পানি ব্যাবহার করতে না পারায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। তাই এ সকল খালের বাঁধ অতি দ্রুত খুলে দেওযা সহ এর সাথে জড়িতদের আইনের জবাব দাহিতায় আনতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্হানীয়রা সচেতন মহলের লোকজন ।

সম্পাদকীয় :

প্রকাশক ও সম্পাদক

মোঃ গোলাম মাওলা শাওন

মোবাইল : ০১৭১১-০০৬২১৪

অফিস :

প্রধান কার্যালয়


৩১/১ শরীফ কমপ্লেক্স দশম তলা পুরানা পল্টন ঢাকা ১০০০

মোবাইল : ০১৯৯৯-৯৫৩৯৭০

ই-মেইল : [email protected]