নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বরিশালের হিজলা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নন্নু খান নামে এক কৃষককে মারধর এবং তার তরমুজ ক্ষেত বিনষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষ কাদের শিকদার ও তার ভাড়াটে বাহিনী এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ বিকেলে নন্নু খানের তরমুজ ক্ষেতে কাদের শিকদারের গরু ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর এক পর্যায়ে বিকেল ৪টার দিকে কাদের শিকদার তার ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ নন্নু খানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হাসপাতালে ভর্তি ও পরবর্তী হামলা
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা নন্নু খানকে উদ্ধার করে দ্রুত হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিনি যখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, ঠিক সেই সুযোগে রাতে অন্ধকারে ওই সন্ত্রাসী বাহিনী আবারও নন্নু খানের তরমুজ ক্ষেতে হানা দেয়। তারা মাঠের পরিপক্ক ও আধাপাকা বিপুল পরিমাণ তরমুজ কুপিয়ে এবং পিষে নষ্ট করে ফেলে।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ
ভুক্তভোগী নন্নু খান জানান, এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তিনি এই তরমুজ চাষ করেছিলেন। ফসল বিক্রির ঠিক আগ মুহূর্তে এই হামলায় তার ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন:
"গরু ঘাস খাওয়া নিয়ে প্রতিবাদ করায় ওরা আমাকে মেরেই ক্ষান্ত হয়নি, আমার সারা বছরের স্বপ্নটাও মাঠেই শেষ করে দিল। আমি এর বিচার চাই।"
আইনি পদক্ষেপ
এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নন্নু খানের পরিবার থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশ গড়িমশি করছেন মামলা নিতে।
বরিশালের হিজলা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নন্নু খান নামে এক কৃষককে মারধর এবং তার তরমুজ ক্ষেত বিনষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিপক্ষ কাদের শিকদার ও তার ভাড়াটে বাহিনী এই ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ বিকেলে নন্নু খানের তরমুজ ক্ষেতে কাদের শিকদারের গরু ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর এক পর্যায়ে বিকেল ৪টার দিকে কাদের শিকদার তার ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ নন্নু খানের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হাসপাতালে ভর্তি ও পরবর্তী হামলা
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা নন্নু খানকে উদ্ধার করে দ্রুত হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তিনি যখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, ঠিক সেই সুযোগে রাতে অন্ধকারে ওই সন্ত্রাসী বাহিনী আবারও নন্নু খানের তরমুজ ক্ষেতে হানা দেয়। তারা মাঠের পরিপক্ক ও আধাপাকা বিপুল পরিমাণ তরমুজ কুপিয়ে এবং পিষে নষ্ট করে ফেলে।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ
ভুক্তভোগী নন্নু খান জানান, এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তিনি এই তরমুজ চাষ করেছিলেন। ফসল বিক্রির ঠিক আগ মুহূর্তে এই হামলায় তার ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন:
"গরু ঘাস খাওয়া নিয়ে প্রতিবাদ করায় ওরা আমাকে মেরেই ক্ষান্ত হয়নি, আমার সারা বছরের স্বপ্নটাও মাঠেই শেষ করে দিল। আমি এর বিচার চাই।"
আইনি পদক্ষেপ
এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নন্নু খানের পরিবার থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশ গড়িমশি করছেন মামলা নিতে।