হাতিয়া প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা মেঘনার মোহনায়
ভাঙ্গন কবলিত কয়েকটি দ্বীপ নিয়ে এই উপজেলা গঠিত।
প্রায় ৮ লক্ষ জনসংখ্যার এই উপজেলার শিশু কিশোর যখন বই খাতা নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়, ঠিক সেই একই বয়সে মেঘনা পাড়ের শিশু কিশোরেরা দেখা যায় নদীতে মাছ ধরছে,
অথবা কিনারায় অভাবের তাড়নায় শিশুশ্রম বেছে নিয়েছে।
এই উপজেলার হরণী ইউনিয়নের টাংকি বাজার মাছ ঘাটের ভুক্তভোগী শিশুরা বলেন, মেঘনার ভাঙ্গনে তাদের বাড়িঘর জায়গা জমি নদীতে পড়ে গেছে। তাছাড়া অনেকের আয় রোজগার করার মানুষ নেই, কেউবা বাবা হারিয়েছে। নিরুপায় হয়ে পড়ালেখা বাদ দিয়ে মাছ ধরা এবং মাছ বাছাই করার শিশুশ্রম বেছে নিয়েছে।
হাতিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট মাছ বাজার, টাংকি মাছ ঘাট, বাংলা বাজার মাছ ঘাট, কাজির বাজার, রহমত বাজার, ভূমিহীন বাজার, তমরদ্দী ও চরচেঙ্গা বাজার, মুক্তারীয়ার চর, নিঝুম দ্বীপের বিভিন্ন মাছঘাট, চর নঙ্গলিয়া ভূমিহীন বাজার মাছ ঘাট এলাকায় শিক্ষা বঞ্চিত ঝরে পড়া শিশু কিশোরেরা নদীতে ও নদীর পারে ঝুঁকিপূর্ণ এ রকম শিশুশ্রম বেছে নিয়েছে।
সচেতন মহলের মতে হাতিয়া উপজেলা প্রশাসন যদি নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা মেঘনাপাড়ের গরীব অসহায় পরিবারগুলোকে হাতিয়া উপজেলার চারপাশে জেগে উঠা চরে চাষ আবাদের জমি বরাদ্দ দিয়ে বসবাসের ব্যবস্থা করে দিলে, এই শিশু-কিশোরেরা
পুনরায় পড়ালেখা করার সুযোগ পাবে।