স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনার সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের নারিয়াপাড়া গ্রামে ঋণের দায়ে গরু চুরির পরিকল্পনা থেকে স্বামী হত্যার মতো লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদ্ঘাটন করেছে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ায় গরু বিক্রি করতে চাইছিলেন বেদেনা আক্তার (৪২)। স্বামী হেলাল উদ্দিন তালুকদার (৬০) বাধা দেওয়ায় তিনি নিজের গোয়ালের গরু চুরির দায়িত্ব দেন চোরচক্রকে। চুরির সময় হেলাল উদ্দিন চোরদের চিনে ফেললে স্ত্রী ও ভাড়া করা চোরচক্রের চার সদস্য মিলে তাকে পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে।
এ ঘটনায় স্ত্রী বেদেনা আক্তারকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। তার দেওয়া তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় পুলিশ মো. লিটন মিয়া (৫০) ও মো. রিয়েল মিয়া (৩৮) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) আদালতে পাঠিয়েছে। মামলায় মোট পাঁচজন জড়িত থাকলেও তদন্তের স্বার্থে বাকি দুজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নেত্রকোনা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দাম জানান, লিটনের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে এবং রিয়েল একটি হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর সকালে হেলাল উদ্দিনের শয়নকক্ষ থেকে পা বাঁধা ও গলা কাটা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত হেলাল উদ্দিন কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইসলাম উদ্দিন ও জেলা যুবদলের সাবেক নেতা শাহাবউদ্দিন রিপনের চাচাতো ভাই এবং এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন।
নেত্রকোনার সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের নারিয়াপাড়া গ্রামে ঋণের দায়ে গরু চুরির পরিকল্পনা থেকে স্বামী হত্যার মতো লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদ্ঘাটন করেছে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, অতিরিক্ত ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ায় গরু বিক্রি করতে চাইছিলেন বেদেনা আক্তার (৪২)। স্বামী হেলাল উদ্দিন তালুকদার (৬০) বাধা দেওয়ায় তিনি নিজের গোয়ালের গরু চুরির দায়িত্ব দেন চোরচক্রকে। চুরির সময় হেলাল উদ্দিন চোরদের চিনে ফেললে স্ত্রী ও ভাড়া করা চোরচক্রের চার সদস্য মিলে তাকে পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে।
এ ঘটনায় স্ত্রী বেদেনা আক্তারকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। তার দেওয়া তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় পুলিশ মো. লিটন মিয়া (৫০) ও মো. রিয়েল মিয়া (৩৮) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) আদালতে পাঠিয়েছে। মামলায় মোট পাঁচজন জড়িত থাকলেও তদন্তের স্বার্থে বাকি দুজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নেত্রকোনা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দাম জানান, লিটনের বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলা রয়েছে এবং রিয়েল একটি হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ ডিসেম্বর সকালে হেলাল উদ্দিনের শয়নকক্ষ থেকে পা বাঁধা ও গলা কাটা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত হেলাল উদ্দিন কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইসলাম উদ্দিন ও জেলা যুবদলের সাবেক নেতা শাহাবউদ্দিন রিপনের চাচাতো ভাই এবং এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিলেন।