কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালীগঞ্জে সুমন কস্তা (৪৫) নামের এক যুবককে চুরিকাঘাতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বন্ধু নন্দন ডি কস্তার (৪২) ধারালো চুরিকাঘাতে সুমনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার পর নিহতের মরদেহ কচুরিপানা নিচে লুকিয়ে রেখে গা ঢাকা দেন হত্যাকারী।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকাল আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন।
নিহত ব্যক্তি হলেন সুমন কস্তা উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের মৃত সুকন্ঠ কস্তার ছেলে। অন্যদিকে, হত্যাকারী নন্দন ডি কস্তা একই গ্রামের মৃত গিলবাট ডি কস্তার ছেলে। সম্পর্কে তারা একে অপরের বন্ধু ছিলেন।
থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আশরাফুল ইসলাম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকাল আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের নন্দন কস্তার বসতবাড়ির চৌচালা ঘরের বারান্দায় এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
তিনি আরো জানেন, এ সময় নন্দন ডি কস্তা সুমন কস্তাকে উপুর্যপরি ছুড়িকাঘাত করেন। পরে মরদেহ গুমের চেষ্টা করে পাশের ডোবার কচুরিপানার নিচে মরেদহ রেখে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ডোবায় মরদেহ দেখতে পেয়ে বিষয়টি ইউপি সদস্য সাগর রোজারিওকে অবহিত করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ থানায় খবর দেন।
ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান স্যারসহ কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। এছাড়াও মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।
ওসি আরো জানান, নিহতের সমস্ত শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। এছাড়াও ও হত্যাকারীকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে সুমন কস্তা (৪৫) নামের এক যুবককে চুরিকাঘাতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বন্ধু নন্দন ডি কস্তার (৪২) ধারালো চুরিকাঘাতে সুমনকে নৃশংসভাবে হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার পর নিহতের মরদেহ কচুরিপানা নিচে লুকিয়ে রেখে গা ঢাকা দেন হত্যাকারী।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকাল আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন।
নিহত ব্যক্তি হলেন সুমন কস্তা উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের মৃত সুকন্ঠ কস্তার ছেলে। অন্যদিকে, হত্যাকারী নন্দন ডি কস্তা একই গ্রামের মৃত গিলবাট ডি কস্তার ছেলে। সম্পর্কে তারা একে অপরের বন্ধু ছিলেন।
থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আশরাফুল ইসলাম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকাল আনুমানিক ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের নন্দন কস্তার বসতবাড়ির চৌচালা ঘরের বারান্দায় এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
তিনি আরো জানেন, এ সময় নন্দন ডি কস্তা সুমন কস্তাকে উপুর্যপরি ছুড়িকাঘাত করেন। পরে মরদেহ গুমের চেষ্টা করে পাশের ডোবার কচুরিপানার নিচে মরেদহ রেখে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ডোবায় মরদেহ দেখতে পেয়ে বিষয়টি ইউপি সদস্য সাগর রোজারিওকে অবহিত করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ থানায় খবর দেন।
ওসি মো. জাকির হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান স্যারসহ কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। এছাড়াও মরদেহটি ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পুলিশ।
ওসি আরো জানান, নিহতের সমস্ত শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। এছাড়াও ও হত্যাকারীকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।