হেলাল উদ্দীন (মিঞাজী)নাইক্ষ্যংছড়ি(বান্দরবান)প্রতিনিধিঃ
রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১ হাজার ৬শত পিস বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস), ০১টি মিনি পিকআপ ও নাইক্ষ্যংছড়ি হাজী এম.এ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা আতিকুর রহমানসহ আটক ৩
গত ১৭ই ডিসেম্বর বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে,কতিপয় লোক মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য আগ্নেয়াস্ত্র সরঞ্জাম নিয়ে রামু হয়ে নাইক্ষ্যং ছড়ির দিকে যাচ্ছে।
উক্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ, রামু থানা মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া'র নেতৃত্বে এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ আনোয়ার সঙ্গীয় ফোর্সসহ রামু থানাধীন জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান এলাকায় সরকারি ড়ি রাস্তার মাথায় অবস্থিত হোটেল আল মদিনা নামীয় ভাতঘরের সামনে পাকা রাস্তার উপরে অস্থায়ী চেকপোষ্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে গত ১৭ ই ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ তারিখ রাত ০১.৪৫ ঘটিকার সময় একটি মিনি ট্রাক গাড়ি চেক পোস্ট অতিক্রম করার সময় সিগন্যাল দিলে।
গাড়ীর চালক গাড়ীটি থামিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে চালক সহ ৩ জনকে আটক করেন পুলিশ। গাড়ীটি তল্লাশি করে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মূখে গাড়ীতে থাকা ৩২টি প্লাস্টিকের সাদা বস্তায় রক্ষিত ১ হাজার ৬ শত পিস বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস) পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে জানা যায় যে, বর্ণিত আসামীগণ বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস) মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত মায়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য মিনি ট্রাক যোগে বহন করে নিয়ে যাইতেছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা সহ অজ্ঞাতনামা আসামীগণ জব্দকৃত ভারী অস্ত্রের বাউন্ডলি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিকট সরবরাহ করে বাংলাদেশের জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করা সহ দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতঃ সন্ত্রাসী কার্য পরিচালনার জন্য গোপন ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ সহ সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সমূহকে সহযোগিতার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম লিপ্ত থাকায় আসামীদের বিরুদ্ধে রামু থানার মামলা নং-৪৭/৮৩৩, তাং-১৮/১২/২০২৫খ্রিঃ, ধারা-সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩) এর ৬(২) এর (ই)/৭/১০/১২ রুজু করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যং ছড়ি উপজেলার নাইক্ষ্যং ছড়ি সদর ইউপি'র কম্বুনিয়া এলাকার নুরুল আলমের পুত্র মোঃ শাহজাহান (২৫),একই উপজেলা ও ইউপি'র আশার তলী এলাকার বদিউজ্জামান এর পুত্র মোঃ ইলিয়াছ(১৯),এবং একই উপজেলা ও ইউপি'র ঘিলাতলী এলাকার এম এ সামাদ এর পুত্র আতিকুর রহমান(২৫)
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন, তিনি বলেন উদ্ধারকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামিদের মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হবে।এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কারি দের বিরুদ্ধে রামু থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রামু থানা পুলিশের অভিযানে ১ হাজার ৬শত পিস বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস), ০১টি মিনি পিকআপ ও নাইক্ষ্যংছড়ি হাজী এম.এ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা আতিকুর রহমানসহ আটক ৩
গত ১৭ই ডিসেম্বর বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে,কতিপয় লোক মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য আগ্নেয়াস্ত্র সরঞ্জাম নিয়ে রামু হয়ে নাইক্ষ্যং ছড়ির দিকে যাচ্ছে।
উক্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অফিসার ইনচার্জ, রামু থানা মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া'র নেতৃত্বে এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ আনোয়ার সঙ্গীয় ফোর্সসহ রামু থানাধীন জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান এলাকায় সরকারি ড়ি রাস্তার মাথায় অবস্থিত হোটেল আল মদিনা নামীয় ভাতঘরের সামনে পাকা রাস্তার উপরে অস্থায়ী চেকপোষ্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে গত ১৭ ই ডিসেম্বর ২০২৫খ্রিঃ তারিখ রাত ০১.৪৫ ঘটিকার সময় একটি মিনি ট্রাক গাড়ি চেক পোস্ট অতিক্রম করার সময় সিগন্যাল দিলে।
গাড়ীর চালক গাড়ীটি থামিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে চালক সহ ৩ জনকে আটক করেন পুলিশ। গাড়ীটি তল্লাশি করে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মূখে গাড়ীতে থাকা ৩২টি প্লাস্টিকের সাদা বস্তায় রক্ষিত ১ হাজার ৬ শত পিস বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস) পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে জানা যায় যে, বর্ণিত আসামীগণ বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস) মায়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত মায়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর জন্য মিনি ট্রাক যোগে বহন করে নিয়ে যাইতেছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা সহ অজ্ঞাতনামা আসামীগণ জব্দকৃত ভারী অস্ত্রের বাউন্ডলি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিকট সরবরাহ করে বাংলাদেশের জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা এবং বর্তমান সরকারকে অস্থিতিশীল করা সহ দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতঃ সন্ত্রাসী কার্য পরিচালনার জন্য গোপন ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ সহ সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সমূহকে সহযোগিতার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম লিপ্ত থাকায় আসামীদের বিরুদ্ধে রামু থানার মামলা নং-৪৭/৮৩৩, তাং-১৮/১২/২০২৫খ্রিঃ, ধারা-সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩) এর ৬(২) এর (ই)/৭/১০/১২ রুজু করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যং ছড়ি উপজেলার নাইক্ষ্যং ছড়ি সদর ইউপি'র কম্বুনিয়া এলাকার নুরুল আলমের পুত্র মোঃ শাহজাহান (২৫),একই উপজেলা ও ইউপি'র আশার তলী এলাকার বদিউজ্জামান এর পুত্র মোঃ ইলিয়াছ(১৯),এবং একই উপজেলা ও ইউপি'র ঘিলাতলী এলাকার এম এ সামাদ এর পুত্র আতিকুর রহমান(২৫)
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ভূইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন, তিনি বলেন উদ্ধারকৃত আলামত ও গ্রেফতারকৃত আসামিদের মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হবে।এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কারি দের বিরুদ্ধে রামু থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।