স্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় তিন দফা দাবির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মবিরতি ও বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ কর্মসূচির আয়োজনে ছিল প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এবং পক্ষে ছিল কেন্দুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
শিক্ষক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম খান (কাজল) ও সভাপতি এখলাছ উদ্দীন ভুঞা। নেতারা জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে ২২ দিন অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় আজ থেকে সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “কমপ্লিট শাটডাউন” বা তালাবদ্ধ কর্মসূচি পালন হবে।
প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবিগুলো হলো, সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তিতে জটিলতার অবসান, সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আফতাব উদ্দীন বলেন, “শিক্ষকদের দাবিগুলো যৌক্তিক। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল আজম বলেন, “সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের লাগাতার কর্মবিরতি ও পরীক্ষা বর্জন চলবে।V
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় তিন দফা দাবির বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মবিরতি ও বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি শুরু করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এ কর্মসূচির আয়োজনে ছিল প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ এবং পক্ষে ছিল কেন্দুয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
শিক্ষক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম খান (কাজল) ও সভাপতি এখলাছ উদ্দীন ভুঞা। নেতারা জানান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে ২২ দিন অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি না থাকায় আজ থেকে সারাদেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “কমপ্লিট শাটডাউন” বা তালাবদ্ধ কর্মসূচি পালন হবে।
প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবিগুলো হলো, সহকারী শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা, ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তিতে জটিলতার অবসান, সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আফতাব উদ্দীন বলেন, “শিক্ষকদের দাবিগুলো যৌক্তিক। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”
এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল আজম বলেন, “সরকার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।”
শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের লাগাতার কর্মবিরতি ও পরীক্ষা বর্জন চলবে।V