রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নে বিএনপির এক কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলের দিকে উপজেলার মালিহাদ বাজারে এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম।
উক্ত সভা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নূর-এ আল আমীন বুলবুল সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আশাদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আশরাফুজ্জামান শাহীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার ওমর ফারুক কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য যারা নমিনেশন চাচ্ছে, তারা বিগত কোনো নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেয়নি। তবু সাধারণ জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে তিনবার নির্বাচিত করেছেন। এলাকায় রিক্সা-ভ্যানওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলেই তারা বলবে, বিএনপির আমলে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে।
তিনি আহসান হাবিব লিংকনের সমালোচনা করে বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর তিনি দলের নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর রাখেননি। “যখন মিরপুরের বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মীর নামে মামলা হয়েছে, আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি, আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে নেতাদের ও দলকে টিকিয়ে রেখেছি। এমনকি ২০০৬ সালের বৈঠার আন্দোলনের সময় আমাদের নামেই ফাঁসির ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আহসান হাবিব কখনও বিএনপির পাশে ছিল না।
উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে সাবেক এমপি বলেন, আমার সময়ে মিরপুর ভেড়ামারায় হাজার হাজার কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করা হয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপি ভূক্তি এবং ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সাগরখালী বাঁধের সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি ফায়ার ষ্টেশন স্থাপন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নির্বাচনে পুনরায় এমপি হলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নে বিএনপির এক কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলের দিকে উপজেলার মালিহাদ বাজারে এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম।
উক্ত সভা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নূর-এ আল আমীন বুলবুল সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আশাদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আশরাফুজ্জামান শাহীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি খন্দকার ওমর ফারুক কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান, পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এ সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য যারা নমিনেশন চাচ্ছে, তারা বিগত কোনো নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেয়নি। তবু সাধারণ জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে তিনবার নির্বাচিত করেছেন। এলাকায় রিক্সা-ভ্যানওয়ালাকে জিজ্ঞেস করলেই তারা বলবে, বিএনপির আমলে সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে।
তিনি আহসান হাবিব লিংকনের সমালোচনা করে বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর তিনি দলের নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর রাখেননি। “যখন মিরপুরের বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মীর নামে মামলা হয়েছে, আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি, আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে নেতাদের ও দলকে টিকিয়ে রেখেছি। এমনকি ২০০৬ সালের বৈঠার আন্দোলনের সময় আমাদের নামেই ফাঁসির ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আহসান হাবিব কখনও বিএনপির পাশে ছিল না।
উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে সাবেক এমপি বলেন, আমার সময়ে মিরপুর ভেড়ামারায় হাজার হাজার কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা করা হয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমপি ভূক্তি এবং ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সাগরখালী বাঁধের সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি ফায়ার ষ্টেশন স্থাপন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নির্বাচনে পুনরায় এমপি হলে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবেন।