মাহফুজ রাজা,স্টাফ রিপোর্টার:
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্যামা পূজা বা কালী পূজা ও দীপাবলি উৎসব ছিলো সোমবার। সাধারণত বাংলা আশ্বিন কিংবা কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করেন মা কালী। ভক্তদের কাছে তিনি শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।
হিন্দু পুরাণ মতে, কালী দেবী দুর্গারই একটি শক্তিরূপ। যে কারণে কালী পূজাকে শক্তির পূজাও বলা হয়।সেদিন গৃহে, স্থায়ী ও অস্থায়ী মন্ডপে প্রতিমা নির্মাণ করে এবং মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত প্রস্তরময়ী প্রতিমাতে মহাসমারোহে ও আনন্দ উদ্দীপনায় কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয় একই দিনে আবার দীপাবলি অনুষ্ঠান পালন করা হয় কিন্তু কোনো কোনো মন্দিরে আবার কালিপূজা টানা তিনদিন ধরে চলে।
মঙ্গলবার রাতে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার হুগলাকান্দি বোর্ডের বাজার রবিদাস বাড়ীর মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়,গ্রামীণ অবয়বে রঙিন আলোকসজ্জায় ভক্তদের উল্লাস।
প্রথম দিনের মতোই দ্বিতীয় দিন একই নৈবেদ্যে মধ্যরাত্রে মন্ত্রোচ্চারণসহ ঢাক, কাঁসর, ঘণ্টা বাজিয়ে, ফুল, বেলপাতা, ফল এসব নানা উপাচারে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজা-অর্চনা শেষে ভক্তরা কালী দেবীর উদ্দেশ্যে পুষ্পাঞ্জলি দেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
মন্দির কমিটির পরিচালক শ্রী হিরণ রবিদাসের পরিচালনায় জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে চলছে পূজা উৎযাপন তিনি জানান স্থানীয় নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকলেই পূজা উদযাপনে যাতে সমস্যা না হয় সর্বদা খুঁজ খবর নিচ্ছেন।
প্রতিবেশী গ্রামের কৃতিসন্তান জিনারী ইউনিয়নের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুল হক মাখন মৃধা
সার্বক্ষনিক নেতাকর্মী নিয়ে সর্বোচ্চ খুঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানা যায়।
মাহফুজ রাজা,
স্টাফ রিপোর্টার
০১৭১৮৯০৬৫৮৫
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্যামা পূজা বা কালী পূজা ও দীপাবলি উৎসব ছিলো সোমবার। সাধারণত বাংলা আশ্বিন কিংবা কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করেন মা কালী। ভক্তদের কাছে তিনি শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুন্ডি, ভদ্রকালী, মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত।
হিন্দু পুরাণ মতে, কালী দেবী দুর্গারই একটি শক্তিরূপ। যে কারণে কালী পূজাকে শক্তির পূজাও বলা হয়।সেদিন গৃহে, স্থায়ী ও অস্থায়ী মন্ডপে প্রতিমা নির্মাণ করে এবং মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত প্রস্তরময়ী প্রতিমাতে মহাসমারোহে ও আনন্দ উদ্দীপনায় কালী পূজা অনুষ্ঠিত হয় একই দিনে আবার দীপাবলি অনুষ্ঠান পালন করা হয় কিন্তু কোনো কোনো মন্দিরে আবার কালিপূজা টানা তিনদিন ধরে চলে।
মঙ্গলবার রাতে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার হুগলাকান্দি বোর্ডের বাজার রবিদাস বাড়ীর মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়,গ্রামীণ অবয়বে রঙিন আলোকসজ্জায় ভক্তদের উল্লাস।
প্রথম দিনের মতোই দ্বিতীয় দিন একই নৈবেদ্যে মধ্যরাত্রে মন্ত্রোচ্চারণসহ ঢাক, কাঁসর, ঘণ্টা বাজিয়ে, ফুল, বেলপাতা, ফল এসব নানা উপাচারে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজা-অর্চনা শেষে ভক্তরা কালী দেবীর উদ্দেশ্যে পুষ্পাঞ্জলি দেন। আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
মন্দির কমিটির পরিচালক শ্রী হিরণ রবিদাসের পরিচালনায় জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে চলছে পূজা উৎযাপন তিনি জানান স্থানীয় নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষ ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকলেই পূজা উদযাপনে যাতে সমস্যা না হয় সর্বদা খুঁজ খবর নিচ্ছেন।
প্রতিবেশী গ্রামের কৃতিসন্তান জিনারী ইউনিয়নের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুল হক মাখন মৃধা
সার্বক্ষনিক নেতাকর্মী নিয়ে সর্বোচ্চ খুঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানা যায়।
মাহফুজ রাজা,
স্টাফ রিপোর্টার
০১৭১৮৯০৬৫৮৫