ববি প্রতিনিধি:
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শুরু হয়েছে “এক শিক্ষার্থী, এক কুরআন” শিরোনামের বিশেষ প্রকল্প। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০০ শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে কুরআন পৌঁছে দেওয়া। এই উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে তিন দিনব্যাপী একটি অস্থায়ী বুথ স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে গুগল ফর্মের মাধ্যমে এবং অফলাইনে বুথে এসে নিবন্ধন করতে পারছেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সাড়া ফেলেছে। সোমবার সকাল ১১টায় এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী দিনে অংশগ্রহণের হার ছিল চোখে পড়ার মতো।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চান।
তিনি মনে করেন, এই প্রকল্প কেবল কুরআন বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি নৈতিক উন্নয়নের বার্তা। উদ্বোধনী দিনেই ৪০০ শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছেন বলে তিনি জানান।
শিক্ষার্থীদের মন্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগকে তারা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন, বিনামূল্যে কুরআন বিতরণ একটি মহৎ প্রয়াস, যা একদিকে ধর্মীয় জ্ঞানচর্চাকে উৎসাহিত করবে, অন্যদিকে সমাজে মূল্যবোধ জাগ্রত করবে।
বুথজুড়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ দেখে মনে হয়েছে, প্রকল্পটি তাদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষার্থীরা চান ভবিষ্যতে এমন আরো মানবিক উদ্যোগ হোক, যা শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শুরু হয়েছে “এক শিক্ষার্থী, এক কুরআন” শিরোনামের বিশেষ প্রকল্প। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০০ শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে কুরআন পৌঁছে দেওয়া। এই উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে তিন দিনব্যাপী একটি অস্থায়ী বুথ স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে গুগল ফর্মের মাধ্যমে এবং অফলাইনে বুথে এসে নিবন্ধন করতে পারছেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সাড়া ফেলেছে। সোমবার সকাল ১১টায় এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী দিনে অংশগ্রহণের হার ছিল চোখে পড়ার মতো।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে তারা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে চান।
তিনি মনে করেন, এই প্রকল্প কেবল কুরআন বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি নৈতিক উন্নয়নের বার্তা। উদ্বোধনী দিনেই ৪০০ শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করেছেন বলে তিনি জানান।
শিক্ষার্থীদের মন্তব্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগকে তারা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন, বিনামূল্যে কুরআন বিতরণ একটি মহৎ প্রয়াস, যা একদিকে ধর্মীয় জ্ঞানচর্চাকে উৎসাহিত করবে, অন্যদিকে সমাজে মূল্যবোধ জাগ্রত করবে।
বুথজুড়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ দেখে মনে হয়েছে, প্রকল্পটি তাদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষার্থীরা চান ভবিষ্যতে এমন আরো মানবিক উদ্যোগ হোক, যা শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে।