মুলাদী প্রতিনিধিঃ মুলাদীতে আত্মহত্যার প্রোরচনা মামলায় ২০দিনেও কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় হতাশায় নিহতের পরিবার।
মামলা ও নিহতের পরিবার সুত্রে জানাগেছে, মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নের পূর্ব হোসনাবাদ গ্রামের আলমগীর হোসেন বেপারীর কন্যা আখীর সাথে দীর্ঘ ৩ বছর পুর্বে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিবাহ হয় চরকালেখান ইউনিয়নের চরকালেখান গ্রামের আলতাফ দেওয়ানের পুত্র সোহাগ দেওয়ানের। সোহাগ মালয়েশিয়া থাকার সুবাধে বিয়ের পর থেকে আখীর উপর নির্যাতন করে আসছে শশুর আলতাফ দেওয়ান ও তার পরিবারের লোকজন।
উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২.৩০ মিনিটের সময় যৌতুকের টাকার দাবীতে আখীকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে শশুর আলতাফ দেওয়ান, দেবর সুলায়মান, শ^াশুরী নিলুফা, ননদ রুনা আক্তার ও নাসিমা আক্তার। শশুর পরিবারের লোকজনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে আখী বিশ পান করে অসুস্থ হয়ে পরে। শশুর বাড়ীর লোকজন বিষয়টি গোপন রেখে আখীকে নিয়ে চুপে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। অসুস্থ আখী সন্ধা ৬.০৫ মিনিটে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।
এঘটনায় আখীর বাবা আলমগীর হোসেন বেপারী মুলাদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় হতাশ হয়ে পরেছে নিহত পরিবারের লোকজন। এব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাসুদ জোমাদ্দারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসামীদের গ্রেফতার করতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, আসামীরা পালিয়ে থাকায় এখনও গ্রেফতার করা যায়নি।
নিহত আখীর বাবা আলমগীর হোসেন বেপারী বলেন, আমার মেয়েকে তার শশুর পরিবারের লোকজন মেরে মুখে বিশ দিয়ে ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা সঙ্কার রয়েছি আদৌধকি এ হত্যার বিচার পাবো ?