ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুলাদীতে নদী দখল করে ভবন নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন।।

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৩-১১ ০১:০৬:০৪
মুলাদীতে নদী দখল করে ভবন নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন।। মুলাদীতে নদী দখল করে ভবন নির্মাণ বন্ধের দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন।।

মুলাদী প্রতিনিধি:

বরিশালের মুলাদীতে নদী দখল করে ভবন নির্মাণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ব্যবসায়ীরা। আজ শনিবার বিকেল ৩টার দিকে পৌর সদরের হিজলা-মুলাদী সংযোগ সেতুর পশ্চিম পাড়ে এ মানববন্ধন করা হয়। মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী নদী দখল করে ভবন নির্মাণের

প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করে কাজ বন্ধের দাবি জানান। পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দখলদারেরা ভবন নির্মাণ কাজ অব্যাহত রাখায়
ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এসময় তারা প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগও করেন।

জানা গেছে, মুলাদী বন্দরের নৌ পথে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহণের জন্য জয়ন্তী নদী ব্যবহার করেন ব্যবসায়ীরা। গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রভাবশালীরা
মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগ স্থলে জয়ন্তী নদীর অংশ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ শুরু করেন। তারা নদীর প্রস্থ বরাবর বাঁশ কাঠ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় নৌযান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ব্যবসায়ীরা নদীর রক্ষার জন্য গত ২ ফেব্রুয়ারি

বরিশাল জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তর, সহকারী কমিশনার (ভুমি), বরিশাল পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেন। ব্যবসায়ীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীন গত ৪ মার্চ জয়ন্তী নদীটি ভরাট কার্যক্রম বন্ধের জন্য নিদের্শন দেন। ওই নির্দেশণায় চরডিক্রী গ্রামের মো. হারুন হাওলাদার, মো. মোবারক খান, হাজী মো. আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, মুলাদী গ্রামের লালমিয়া খান, মো. আল আমিন খান ও মো. তুহিন সিকদারকে অবিলম্বে নদী ভরাটের কার্যক্রম বন্ধসহ অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ বন্ধ করে আগামী ৭ দিনের মধ্যে নদী ভরাট কৃত অংশের বালু, মাটি, বাশ, কাঠসহ সকল অবকাঠামো অপসারণের জন্য বলা হয়। এছাড়া নিদের্শণার অনুলিপি জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়। মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান হাওলাদার বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা দেওয়ার পরেও অবৈধ দখলদারের তাদের নির্মাণ কাজ বন্ধ করেননি।

উল্টো তারা বালু ভরাটের কাজ করছেন। এতে মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়েনে। প্রশাসনের নাকের ডগায় নদী দখলের কাজ চলমান থাকায়
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) এর ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাই নদী রক্ষা ও মুলাদী বন্দরে নৌ যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ীরা মানবন্ধন করেছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী মো. আমিনুল ইসলাম, মাহমুদ হাসান, মিজানুর রহমান, হাজী সিদ্দিকুর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন, মাছুম বিল্লাহসহ বন্দরের ব্যবসায়ীরা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ