ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ , ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামপুরা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন প্রমাণাদি দাখিলের আবেদন প্রসিকিউশনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট সময় : ২০২৬-০৩-০৪ ১৪:০১:২৯
রামপুরা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন প্রমাণাদি দাখিলের আবেদন প্রসিকিউশনের রামপুরা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন প্রমাণাদি দাখিলের আবেদন প্রসিকিউশনের
 
নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই বিপ্লবে মানবতাবিরোধী অপরাধে রামপুরায় আমির হোসেনকে গুলি ও দুজনকে হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করার জন্য দিন ধার্য ছিল আজ। কিন্তু প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে নতুন প্রমাণাদি দাখিলের জন্য রায় চার সপ্তাহ স্থগিতের আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর এই মামলার নতুন কিছু প্রমাণ নজরে এসেছে। আমার মনে হয়েছে ন্যায় বিচারের স্বার্থে সেগুলো দাখিল করা প্রয়োজন। সেজন্য রায় স্থগিত চেয়ে নতুন এভিডেন্স দাখিলের আবেদন করা হয়েছে।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই আবেদন করা হয়। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।


গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল।


এর আগে আসামিদের বিরুদ্ধে ১৪ জন সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। গত বছরের ২৩ অক্টোবর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন গুলিবিদ্ধ আমির হোসেন। প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয় ৮ জানুয়ারি। এছাড়া আসামি চঞ্চল চন্দ্র নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেন। ১৩ জানুয়ারি তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হওয়ার পর মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়।


গত ৩ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষের আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের সঙ্গে তার মক্কেলের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও তিনি দাবি করেন। এরপর আসামি চঞ্চলের খালাসের আবেদন জানান তিনি।


এছাড়া পলাতক চারজনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে নিজের মক্কেলদের নিরপরাধ দাবি করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন। তাৎক্ষণিক তাদের যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণের জন্য ১৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।

 
গত ২৯ জানুয়ারি যুক্তি উপস্থাপন সম্পন্ন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সাক্ষ্যপ্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দিসহ নথিপত্রে এ মামলার পাঁচ আসামির সম্পৃক্ততা স্পষ্টভাবে প্রমাণ হয়েছে বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছেন তারা।

 
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। একই বছরের ৭ আগস্ট ফর্মাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এ মামলায় আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেপ্তার রয়েছেন। অপর চার আসামি পলাতক। হাবিবুর ছাড়া অপর আসামিরা হলেন— খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।








 

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ