নিজস্ব প্রতিবেদক
'বাংলাদেশ আমার অহংকার'- এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারণ করে এলিট ফোর্স র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সর্বগ্রাসী মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে সর্বাত্মক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে র্যাবের প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা এবং পেশাদারিত্বের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
র্যাবের চলমান এই মাদকবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় ইং ২২/১২/২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ০৭.৩০ ঘটিকায় র্যাব-১৩, সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্প এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাইবান্ধা জেলার গাইবান্ধা সদর থানাধীন কামারজানি বাজারস্থ ব্রহ্মপুত্র নদীর পূর্ব পাশে ০৫নং ওয়ার্ড কড়াইবাড়ি চড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামিদ্বয়ের দেহ তল্লাশীকালে ০২ (দুই) টি কালো রংয়ের এয়ারটাইট পলিপ্যাকেটের মধ্যে ৩৯৫ (তিনশত পঁচানব্বই) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা জব্দসহ মাদক ব্যবসায়ী ০১। মোঃ ইমান হোসেন (৩৮), পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ, মাতা-জামিলা বেগম এবং ০২। মোঃ আজম আলী (৩৪), পিতা মোঃ আব্দুল মজিদ আলী, মাতা-শহরবানু বেগম, উভয় সাং-কড়াইবাড়ি, ইউনিয়ন-১২নং কামারজানি, ওয়ার্ড-০৫, থানা ও জেলা-গাইবান্ধা'দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পৃথক আরো একটি অভিযানে ইং ২৩/১২/২০২৫ তারিখ দুপুর ১২.৫০ ঘটিকায় দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানাধীন ০১ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ দাইনুর সাকিনস্থ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধৃত আসামিদ্বয়ের বসত ঘরে তল্লাশিকালে ঘরের পশ্চিম পাশের খাটের নিচ হতে প্লাস্টিকের চারটি বস্তার মধ্যে অবৈধ মাদকদ্রব্য উইনকেরেক্স (ফেন্সিডিল জাতীয়) ৩৬৪ বোতল জব্দসহ মাদক ব্যবসায়ী ১। মোঃ জালাল (২৫), পিতা- মীর আলী ও ০২। মোঃ মোশারফ হোসেন (৫৫), পিতা- মৃত কুমির উদ্দীন, উভয় সাং- দক্ষিণ দাইনুর, থানা- কোতয়ালী, জেলা- দিনাজপুর'দ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন ধরে ধৃত আসামিগণ দিনাজপুর এবং গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নিকট হতে অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয় করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সু-কৌশলে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছে। ধৃত আসামিগণ অভিনব সব কৌশল অবলম্বন করে মাদক পরিবহন ও মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিগণের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক ধৃত আসামি ও জব্দকৃত আলামতসহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্থান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-১৩ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে।